ফোরাত নদীর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে,এবং এ নিয়ে 

নাসার গবেষকেরা খুবই চিন্তিত৷ 

হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত, হযরত মোহাম্মাদ সঃ বলেছেন, অদূর ভবিষ্যতে ফোরাত 

নদী সোনার ভান্ডার উন্মুক্ত করে দেবে, সে সময় যারা ওখানে উপস্থিত থাকবে তারা যেনো তা থেকে কিছুই গ্রহন না করে৷ 

(সহীহ বুখারী, খন্ড ৬, পৃষ্ঠা ২৬০৫)


প্রিয় নবিজী সঃ আরো বলেন,সেই পর্যন্ত কেয়মত সংঘটিত হবে না, যতক্ষন না ফোরাত নদী থেকে 

স্বর্নের পাহার বের হবে৷ তার জন্য মানুষ যুদ্ধ করবে, প্রতি একশো জনে নিরানব্বই জন মারা যাবে, যারা জীবিত থাকবে, তারা ভাববে বোধহয় একা আমিই জীবিত আছি৷ 

(সহীহ মুসলিম,খন্ড ৪, পৃষ্ঠা ২২১৯)


১২/২/২০১৩এ একটা রিপোর্টে নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, নাসার গবেষকেরা এবং ক্যালফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি লক্ষ করছে, গত ১০বছরে ১১৭লক্ষ একর খাদের পানি শুকিয়ে গেছে৷

অর্থাত এই নদীর পানি শুকানোটা হচ্ছে কেয়ামতের কয়েকটি আলামতের মধ্যে অন্যতম একটি আলামত৷


ওহে মুসলিম তুমি ঘুমাচ্ছো কেনো? 

তোমার কি এখনো সময় হয়নি তোমার প্রভুর ডাকে সাড়া দেওয়ার।


ইয়া রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকেই ইসলামের সঠিক বুঝ দান করুন।

আমিন 🤲🤲

Comments

Popular posts from this blog

প্রশ্ন: পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রথম কে জান্নাতে প্রবেশ করবে?

Japan and atomic bomb.

শিয়াল ও সিংহ