হূদ কুরআনের ১১ নম্বর সূরা। এতে ১২৩টি আয়াত রয়েছে এবং এটি একটি মাক্কী সূরা। নাযিলের ধারাবাহিকতায় এটি ৫২তম সূরা। এর নামকরণ হয়েছে আল্লাহর নবী হযরত হূদ (আ.)-এর নামানুসারে, কারণ এই সূরায় তাঁর দাওয়াত এবং আদ জাতির সঙ্গে তাঁর ঘটনার বিস্তারিত আলোচনা এসেছে। সূরার মূল বিষয় সূরা হূদের প্রধান লক্ষ্য হলো মানুষের অন্তরে দৃঢ় ঈমান সৃষ্টি করা এবং জানিয়ে দেওয়া যে, সত্যের পথে চলা কখনো সহজ না হলেও শেষ পর্যন্ত সফলতা ঈমানদারদেরই। এই সূরায় বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে— # আল্লাহর একত্ববাদ ও তাঁর প্রতি পূর্ণ আস্থা। # প্রত্যেক মানুষ তার কর্মের জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করবে। # অতীতের নবীগণ ও তাঁদের জাতির ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ। # সত্য অস্বীকারকারীদের পরিণতি এবং ঈমানদারদের মুক্তি। # তাওবা, আল্লাহর রহমতের আশা এবং ধৈর্যের গুরুত্ব। উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি এই সূরায় কয়েকজন মহান নবীর জীবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— # ইবরাহীম (আ.)-এর কাছে ফেরেশতাদের আগমন ও লূত (আ.)-এর জাতির ঘটনা। # শু‘আইব (আ.)-এর জাতিকে সত্যের আহ্বান এবং তাদের অবাধ্যতার পরিণতি। # নূহ (আ.)-এর দাওয়াত, নৌকা নির্মাণ ও মহাপ্লাবনে...
সিংহ শিয়ালকে বলে - যা আমার জন্য খাবার নিয়ে আয়। শিয়াল ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলে- ভাইজান কেমন আছেন? ঘোড়া চিন্তা করে- যে শিয়াল খ্যাক খ্যাক করা ছাড়া কোনো কথা বলে না- সে আজ এতো মধুর স্বরে ডাকছে কেন? নিশ্চয়ই কোনো বদ মতলব আছে। ঘোড়া শিয়ালের ডাকে সাড়া দেয় না। শিয়াল এবার ময়ুরীর কাছে গিয়ে বলে- আপুমনি কেমন আছো। দেখতে খুবই মিষ্টি লাগছে। ময়ুরীও বুঝতে পারে- শিয়ালের মুখে মিষ্টি বচন। নিশ্চয়ই লক্ষণ ভালো না। সে ও সাড়া দেয় না। শিয়াল এবার গাধার কাছে গিয়ে বলে- বাহ! তোমাকে খুবই হ্যান্ডসাম মনে হচ্ছে। এরকম হ্যান্ডসাম একটা প্রাণী খেটে খেটে জীবনটা নষ্ট করে দিলো। তোমাকে আর কষ্ট করতে হবেনা। রাজার বয়স হয়ে গেছে। তিনি অবসরে যাবেন। আর তোমাকে রাজা বানাবেন। চলো আমার সাথে সিংহাসনে চলো। গাধা খুব খুশি হয়। শিয়ালের সাথে সিংহাসনে আসে। সিংহের কাছে আসা মাত্রই সিংহের এক থাবায় গাধা তার কান দুটো হারায়। কিন্তু কোনো রকমে পালিয়ে বাঁচে। শিয়াল গাধার কাছে এসে বলে- এতো বোকা হলে রাজা হবে কিভাবে। রাজা তোমার মাথায় মুকুট পরাবে। কিন্তু দুপাশে দুটো কান থাকলে ক...
Comments
Post a Comment