Posts

Showing posts from December, 2021

মুসনাদ আহমাদ : ১০৬৪২

 নবীজি -এর মাহফিলে মাঝে মাঝে হাস্যরসিকতাও হতো। নবীজি রাশভারী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন এবং সাহাবীগণ নবীজিকে অত্যন্ত সম্মান করতেন, আদব বজায় রাখতেন।কিন্তু তা সাহাবীদেরকে তাদের প্রিয় নবীজির সাথে স্বতঃস্ফর্ত ব্যবহার ও কথাবার্তা বলায় বাধা দিত না। একদিন নবীজি সাহাবীদের সাথে কথা বলছিলেন এবং একজন বেদুইনও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নবীজি বলছিলেন, "জান্নাতবাসীদের কোনাে একজন তার রবের কাছে চাষাবাদের অনুমতি চাইবে। তখন আল্লাহ তাআলা তাকে বলবেন, তুমি কি যা চাও, তা পাচ্ছ না?" সে বলবে, "হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। কিন্তু আমার চাষ করার খুবই আগ্রহ। তারপর সে বীজ বুনবে এবং তার চারা জন্ম নেওয়া, গাছ বড় হওয়া ও ফসল কাটা সবকিছু পলকের মধ্যে হয়ে যাবে। আর তা (ফসল) হবে পাহাড়-সমান। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন, "হে আদমসন্তান, এগুলাে নিয়ে নাও। কোনাে কিছুই তােমাকে তৃপ্তি দেয় না।" নবীজির কথা শেষ হলে বেদুইন লােকটি বলে উঠল, "ইয়া রাসূলাল্লাহ, আল্লাহর কসম, এই ধরনের লােক আপনি কুরায়শী বা আনসারদের মধ্যেই পাবেন। কেননা, তারা চাষাবাদ পছন্দ করে। আর আমরা বেদুইনদের চাষাবাদের সাথে কোন সম্পর্কই নেই।"এ কথা শুন...

প্রশ্ন: পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে সর্বপ্রথম কে জান্নাতে প্রবেশ করবে?

  উত্তর: বহু সংখ্যক সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্ব প্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবেন। যেমন: ▪ আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: « آتِي بَابَ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَأَسْتفْتِحُ، فَيَقُولُ الْخَازِنُ: مَنْ أَنْتَ؟ فَأَقُولُ: مُحَمَّدٌ، فَيَقُولُ: بِكَ أُمِرْتُ لَا أَفْتَحُ لِأَحَدٍ قَبْلَكَ » “কিয়ামতের দিন আমি জান্নাতের দরজায় দিয়ে দরজা খোলার অনুমতি চাইলে জান্নাতের রক্ষক বলবে, কে আপনি?  আমি বলব: মুহাম্মদ। তিনি বলবেন: আপনার জন্যই দরজা খোলার অনুমতি আছে। আপনার পূর্বে কারও জন্য দরজা খোলার অনুমতি নাই।” (মুসলিম, হাদিস নং ১৯৮) ▪ অন্য একটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: أَنَا أَوَّلُ مَنْ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ   "আমি কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করব।" [সহিহ জামে তিরমিযী ও মাজমাউয যাওয়ায়েদ। শাইখ আলবানী বলেন: سنده جيد، رجاله رجال الشيخين এর সনদটি ভালো। আর বর্ণনাকারীগণ সবাই বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনাকারী (সহীহাহ ১০০/৪)] এ মর্মে ...

জানেন কি?

 একদিন রাসূল (সা) কেঁদে উঠলেন। সাহাবারা কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন- 'আমি আমার ভাইদের জন্য কাঁদছি।' সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই?' রাসূল (সা) বললেন, 'তোমরা তো আমার সাথী। আমার ভাই হল তারা, যারা আমার পরে আসবে আর আমাকে না দেখেই আমার উপর ঈমান আনবে।' রাসূল (সা) আমার জন্য আপনার জন্য কেঁদেছেন, আমরা এই দুনিয়াতে আসার আগেই আমাদের বিরহ অনুভব করেছেন, না দেখেই আমাদের জন্য কেঁদেছেন !  আহারে! আমরা কতোটুকুন মিস করি আমাদের প্রিয় নবীজী (সা) কে? তার বিরহে আমরা কবে কেঁদেছি? ক'ফোটা চোখের পানি ফেলেছি হৃদয়ের নবী (সা) কে ভালোবেসে ?? যে নবী আমাদের জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজে দোয়া করতেন, যে নবী আমাদের জন্য কেঁদেছেন, সেই নবীর নামে আমরা দিনে ক'বার দুরুদ পড়ি? ভালোবেসে তার সুন্নাহ নিজের জীবনে কতোটা পালন করি? 🌹 আল্লাহুমা সাল্লিআলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মদ 🌹 #আমার_নবী #প্রেমের_নবী #আমার_নবী #আমার_ভালবাসা .. ❤

আল্লাহ তায়ালা ৭টি গুণ পছন্দ করেন ...

  ১. তওবা (অনুশোচনা/ফিরে আসা)     "আল্লাহ তওবাকারীকে ভালোবাসেন"     - বাকারাহ ২২২। ২. তাহারাত (পবিত্রতা)     "যারা পবিত্র থাকে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন"     - বাকারাহ ২২২। ৩. তাক্বওয়া (আল্লাহ ভীতি)     "নিশ্চই আল্লাহ মুওাকিদের ভালোবাসেন"     - তওবাহ ৪। ৪. ইহসান (ভালো/উত্তম/সুন্দর)     "আল্লাহ নেককারদের ভালোবাসেন"     - আল ইমরান ১৩৪। ৫. তাওয়াক্কুল (ভরসা করা/নির্ভর করা)     "নিশ্চই আল্লাহ ভালোবাসেন তার উপর ভরসাকারীদের"     - আল ইমরান ১৫৯। ৬. আদল (ন্যায়বিচার/ইনসাফ)     "আল্লাহ ন্যায়বিচারকারীদের ভালোবাসেন"     - মায়িদাহ  ৪২। ৭. সবর (ধৈর্য/সহিষ্ণুতা)     "আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন"     - আল ইমরান ১৪৬। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে তাঁর পছন্দের বান্দা হওয়ার তাওফিক দান করুক৷ আমিন।

জুমু'আর দিনের সুন্নাত সমূহ]]

👉১. গোসল করা (বুখারীঃ৮৭৭) 👉২.সূরা কাহফ পাঠ করা(বুখারীঃ৩/২৪৯) 👉৩. বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করা(আবু দাউদঃ১০৪৭) 👉৪.ফজরের সালাতে সূরা সাজদা ও ইনসান পড়া(বুখারীঃ৮৯১) 👉৫. উত্তম পোশাক পরিধান করা ও সুগন্ধি লাগানো (বুখারীঃ৮৮৬) 👉৬. জুমুআর সালাতের জন্য তারাতাড়ি যাওয়া(বুখারীঃ৮৮১) 👉৭.মসজিদে প্রবেশ করে ২ রাকাত সালাত আদায় করে বসা(বুখারীঃ১১৬৭) 👉৮.মুসল্লীদের ইমামের দিকে মুখ করে বসা(তিরমিযীঃ৫০৯) 👉৯.নীরব থাকা ও খুতবা শোনা(বুখারীঃ৯৩৪) 👉১০. সূরা আলা ও গাশিয়া দিয়ে জুমুআর সালাত আদায় করা(মুসলিমঃ৮৮৭) 👉১১.জুমুআর সালাতের পর ২/৪ রাকাত নফল সালাত আদায় করা (মুসলিমঃ৯৩৪) 👉১২.বেশি বেশি দুয়া করা।বিশেষ করে আসরের শেষ দিকে(বুখারীঃ১০৪৮)