Posts

মানসিকভাবে শক্ত মানুষের আট বৈশিষ্ট্য

   ১. আপনাকে নিয়ে কে কী বলল, লিখল বা গ্রুপে কী আলোচনা হলো, সেটি আপনার মানসিক শান্তিকে স্পর্শ করতে পারে না। ব্যাপক প্রশংসা করলেও আপনি খুশিতে উদ্বেলিত হন না, আবার নিন্দামন্দেও কান পাতেন না। কেননা, আপনি নিজে জানেন, মানুষ হিসেবে আপনি কেমন, আর আপনি কী করতে পারেন। তাই ‘গ্রুপ ডিসকাশন’–এ আপনার বিশেষ কিছু আসে যায় না।  ২. অন্য মানুষের প্রতি আপনি অত্যন্ত সদয় ও দয়ালু। এমনকি পোষা প্রাণীর প্রতিও আপনি দয়ালু। যদিও পৃথিবী আপনার প্রতি সদয় হয়নি। হতে পারে আপনি নিজে ছোটবেলায় নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছেন; কিন্তু আপনি সেটি গ্রহণ করেননি। মানুষ ও সব প্রাণীর প্রতি আপনি অত্যন্ত অনুভূতিশীল, শ্রদ্ধাশীল আর দয়ালু।  ৩. আপনি নিজের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। প্রচণ্ড রাগের মুহূর্তেও নিজেকে শান্ত রাখতে পারেন। হতাশার সর্বনিম্ন স্তরে থেকেও আশা হারান না। আপনি জানেন, শিগগিরই সুদিন ফিরবে। বারবার ব্যর্থ হয়েও আপনি হাল ছাড়েন না। ৪. যেকোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনা থেকে কেবল ইতিবাচক বিষয়টুকু গ্রহণ করেন। ভালো দিন আপনাকে সুন্দর স্মৃতি দেয়। খারাপ দিন দেয় শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা। আপনি ইতিবাচকতার ওপর মনোনিবেশ করতে পারেন।  ৫. এক...

ইডিয়ট

Image
 ধর্ম - প্রত্যেক মানুষের কাছে মহান  সৃষ্টিকর্তার (আল্লাহর) দেয়া অপূর্ব ফয়সালা। যার মাধ্যমে নিজের জীবন পরিশীলিত হবে। চলার পথ মসৃণ হবে। তাই ধর্ম মানার ক্ষেত্রে সবার দৃষ্টিভংগি হবে শ্রদ্ধার। নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করি কি না সেটা বুঝার উপায়ও হচ্ছে অন্যের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। অন্যের ধর্মবিশ্বাসকে সম্মান করা। বিজ্ঞানের এই অসম্ভব উৎকর্ষতার যুগে এসে ইসলাম যখন সর্বগ্রাহী একটি ধর্ম হিসাবে প্রমাণিত হচ্ছে, যখন ইসলামের সকল বিষয় বৈজ্ঞানিক মানদন্ডে উত্তীর্ণ হয়ে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হচ্ছে সেসময় এই দেশের সুশীলদের মধ্যে কতিপয় অর্ধশিক্ষিত, অশিক্ষিতরা ইসলামকে কটাক্ষ করে নিজেদেরকে জ্ঞানী (!!) ও মুক্তমনা (?!) হিসাবে প্রমাণের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এসব ধর্মবিরোধীরা সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে "ইডিয়ট "।

মানবতার বন্ধু

Image
 রাসুলুল্লাহ (স) এর জীবনী ভিত্তিক অনন্য গ্রন্থ,  যুগশ্রেষ্ঠ  লেখক,  বিশিষ্ট দায়ী ইলাল্লাহ, পাকিস্তানের অন্যতম আলেমে দ্বীন জনাব নঈম সিদ্দিকী রচিত "মুহসিনে ইনসানিয়াত" গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ "মানবতার বন্ধু মুহাম্মদ রসুলুল্লাহ (স)।" গ্রন্থটি ইংরেজিতেও অনুবাদ হয়েছে। যার নাম Human Benefactor। রাসুলুল্লাহ (স) এর বিস্ময়কর মাক্কী জীবন ও অসাধারন নেতৃত্ব গুণে পরিচালিত মাদানী জীবন এর এক ঝলক এই কিতাব। সূর্য কে যেমন আয়নায় দেখা যায় কিন্তু একটা পূর্ণ সূর্যের অবয়ব ধারন অসম্ভব তেমনি রাসুলুল্লাহ (স) এর জীবনীও এক কিতাবে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে স্বার্থকভাবে। প্রিয় পাঠক, আশা করি আপনার ব্যক্তিগত সংগ্রহশালাকে এই বই আরো সম্বৃদ্ধ করবে।

আমার প্রেরণায় হযরত ওমর (রা:)

  মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে কোটি শুকরিয়া যিনি দয়াময় হয়ে আমাদেরকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর উম্মত হিসাবে প্রেরণ করেছেন। রাসুলের উম্মতগণের মাঝে অন্যতম সেরা ব্যাক্তিত্ব মুসলিম জাহানের ২য় খলিফা, প্রেসিডেন্ট হযরত ওমর (রা)। যেমন দু:সাহস, তেমনি মেজাজ, জ্ঞান, নৈতিকতা ও শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা। হযরত ওমরের  ব্যাপারে ররসুলুল্লাহ (স) এত হাদিস আছে যে এক লেখায় সেটি ফুটিয়ে তোলা অসম্ভব। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি ইসলাম গ্রহণের কথা সর্বপ্রথম সবার সম্মুখে উচ্চারণ করেছেন, ঘোষণা দিয়ে হিজরত করেছেন, আবু বকর (রা) কে খিলিফা হিসাবে মেনে নেয়ার ব্যাপারে তার সিদ্ধান্ত ও বায়আত ছিল যুগান্তকারী। লক্ষ লক্ষ সাহাবীর মধ্যে তিনি একমাত্র যার সিদ্ধান্তের সমর্থনে আল কোরআনের ২২ টি আয়াত নাজিল হয়েছে। তিনি একই সংগে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোরতম এবং সত্যের পক্ষে অবিচল।  তাই রাসুলুল্লাহ (স) তাকে ফারুক তথা সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী উপাধি দিয়েছেন। খলিফার দায়িত্ব গ্রহণের পর তার নমনীয়তা, প্রয়োজনে আগের চেয়ে বেশি কঠোরতা, রাতে বিচরণ করে নাগরিকদের দেখভাল করা, সুবিধা-অসুবিধা জেনে তাৎক্ষণিক সমাধান প্রদান, বিচার ব্যবস্থা, জননিরাপত্তায় পুলিশ, সেনাবা...

মন্ত্রী

Image
তিনি কোন শ্রমিক নয়, যে সাইকেল চালিয়ে কর্মস্থলে  যায়!  তিনি একজন মন্ত্রী!!!! মন্ত্রীর জুতাটা একজন শ্রমিকের জুতার মতো, যার বাজার মূল্য ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এগুলো বেশি বেশি প্রচার করা দরকার, বিশ্ব জানুক প্রকৃত নেতা কেমন হয়। ইউরোপের ক্রস নেতাদের জীবন আমাদের খুব প্রভাবিত করে কিন্তু হযরত ওমর রদিঃ এর উত্তরসূরীদের জীবন ব্যাবস্থা আমাদের নাড়া দেয়না।

Grammar

 What is the passive voice of  "He can not help doing this odd jobs."

বাংলাদেশ : দায়ী ইলাল্লাহর জমিন

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অশেষ মেহেরবানী তিনি আমাকে ও আমাদেরকে এই দেশে পাঠিয়েছেন। জনসংখ্যার দিক থেকে ২য় বৃহত্তম মুসলিম এই দেশ ইসলামি দাওয়াহ ও দায়ী ইলাল্লাহর উপযুক্ত একটি জমিন। সর্বপ্রথম ৬২০ খৃষ্টাব্দে প্রখ্যাত সাহাবী আবু ওয়াক্কাস (রা:), হযরত কাসেম ইবনে হুজাইফা (রা), উরওয়াহ ইবনে আসাসা (রা) এবং আবু কায়েস ইবনে হারিস (রা) এই দেশের চট্টগ্রাম ও সিলেট শহরে দ্বীন প্রচারের জন্য আসেন।৬২০ থেকে ৬২৬ সাল পর্যন্ত তারা এখানে দাওয়াতি কাজ পরিচালনা করেন৷  ৬৯০ সালে এখানে প্রথম মসজিদ নির্মিত হয়। যার নাম সাহাবায়ে কেরাম জামে মসজিদ ( বর্তমান নাম : হারানো মসজদ)। হযরত ওমর (রা) এর সময়ে মামুন ও মুহাইমেন (রা) এখানে ইসলাম প্রচারের জন্য আসেন। ৭৮৮ সালে আব্বাসীয় খলীফার সময়ে ও এখানে দ্বীন প্রচারের কাজ পুরোদমে চলতে থাকে। পরবর্তীতে ১০৫৩ সালে শাহ মুহাম্মদ রুমী, ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজী, ১৩০৩ সালে শাহজালাল ইয়ামেনী (র), ১৪১২-১৪১৪ সালে খান জাহান আলী (র), ১৫১৬ সালে আলাউদ্দিন হুসাইন শাহের আমলে এতো বেশি ইসলামি প্রচারক এখানে আসেন যে তখন চট্টগ্রামের নামই হয় 'দারুল ইসলাম'। বৃটিশ শাসনামলে ১৭৫৭ এর পর হযরত শাহ আব্দুল আজিজ (র...